পার্লারে চুল স্ট্রেইট বা রিবন্ডিং করতে কেমিকল ব্যবহার করা হয়, যা চুলের জন্য ক্ষতিকর।
তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ঘরেই তৈরি করা যায় ‘হেয়ার স্ট্রেইটনিং মাস্ক’। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল সোজা করার মাস্ক তৈরির পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল।
এই মাস্ক তৈরিতে লাগবে:
এককাপ নারিকেলের দুধ। পাঁচ থেকে ছয় টেবিল-চামচ লেবুর রস। দুই টেবিল-চামচ অলিভ অয়েল। তিন টেবিল-চামচ কর্নস্টার্চ (কর্নফ্লাওয়ার)।
পদ্ধতি
নারিকেলের দুধ, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প অল্প করে কর্নস্টার্চ ওই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। খুব ভালোভাবে মেশাতে হবে যেন কোনো দানা না থাকে।
এখন মিশ্রণটি অল্প আঁচে চুলায় দিয়ে গরম করতে হবে। এসময় প্রতিনিয়ত মিশ্রণটি নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি ঘন ক্রিমের মতো হয়ে যাবে।
মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
গোছলের আগে মিশ্রণটি চুলে লাগান। কিছুটা শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।
সপ্তাহে দুবার করে টানা দুমাস ব্যবহার করলেই চুল স্ট্রেইট হয়ে যাবে। তাছাড়া এই মাস্ক ব্যবহারে চুল ঝলমলে হয় আর সামলানও সুবিধা হয়।
তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ঘরেই তৈরি করা যায় ‘হেয়ার স্ট্রেইটনিং মাস্ক’। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল সোজা করার মাস্ক তৈরির পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল।
এই মাস্ক তৈরিতে লাগবে:
এককাপ নারিকেলের দুধ। পাঁচ থেকে ছয় টেবিল-চামচ লেবুর রস। দুই টেবিল-চামচ অলিভ অয়েল। তিন টেবিল-চামচ কর্নস্টার্চ (কর্নফ্লাওয়ার)।
পদ্ধতি

এখন মিশ্রণটি অল্প আঁচে চুলায় দিয়ে গরম করতে হবে। এসময় প্রতিনিয়ত মিশ্রণটি নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি ঘন ক্রিমের মতো হয়ে যাবে।
মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
গোছলের আগে মিশ্রণটি চুলে লাগান। কিছুটা শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।
সপ্তাহে দুবার করে টানা দুমাস ব্যবহার করলেই চুল স্ট্রেইট হয়ে যাবে। তাছাড়া এই মাস্ক ব্যবহারে চুল ঝলমলে হয় আর সামলানও সুবিধা হয়।
0 coment�rios: