Home Top Ad

স্তন ক্যানসারের মতোই জরায়ু ক্যানসারও অনেক কঠিন একটি অসুখ। পৃথিবীতে প্রচুর নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এই রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন...

স্তন ক্যানসারের মতোই জরায়ু ক্যানসারও অনেক কঠিন একটি অসুখ। পৃথিবীতে প্রচুর নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এই রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে ২০১২ সালে প্রায় ৬৫,০০০ হাজার নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইউরোপের দেশগুলোতে ছয়টি ক্যানসার রোগের মধ্যে জরায়ু ক্যানসার সবচেয়ে বেশি আলোচিত কারণ প্রতি বছর পুরো পৃথিবীতে প্রায় ২,৫০,০০০ নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত নারীরা এই অসুখ হওয়ার প্রথম অবস্থায় চিকিৎসা না করানোর ফলে তাদের বেঁচে থাকার হার ৫০% কমে যায়। আর যারা প্রথম থেকেই চিকিৎসা করান তাদের বেঁচে থাকার সম্ভবনা থাকে ৯৫%।

তবে অনেকেই মনে করেন যে এই অসুখটি হয়তো প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে হয়ে থাকে কিন্তু এটি ভুল ধারণা। যেকোন বয়সেই নারীদের জরায়ু ক্যানসার হতে পারে। তবে বিশেষ করে ৫০ বছর বয়স্ক কিংবা এর থেকেও বেশি বয়সের নারীরা জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বেশি। তবে গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে শিল্পোন্নত দেশের নারীরা বেশি জরায়ু ক্যানসারে অধিক আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এবং অন্য দিকে আফ্রিকান, আমারিকান ও এশিয়া প্রদেশের নারীদের এই ক্ষেত্রে জরায়ু ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম সাদা চামড়ার নারীদের থেকে।

জরায়ু ক্যানসারকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়ে থাকে কারণ এই অসুখ দেখা দিলে অনেক নারীরাই এর কিছু কিছু লক্ষণ বুঝতে পারেন না। কিংবা ভিন্ন লক্ষণ দেখা দিলেও গুরুত্ব দেন না। তাই সুস্থ থাকতে এই অসুখের পূর্ববর্তী কিছু লক্ষণ সম্পর্কে জেনে রাখুন।

জরায়ু ক্যানসারের পূর্ববর্তী কিছু লক্ষণ

১। নিন্মাঙ্গের চারপাশে চাপ লাগা কিংবা ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করা

২। গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। হালকা খাবারের পর পেট ভর্তি লাগা, পেটে অস্বস্তি লাগা, ইত্যাদি পেটের কোন সমস্যা খুব বেশি হলে তা জরায়ু ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

৩। অন্য সময়ের থেকে পেটে অনেক পরিবর্তন দেখা দেওয়া।

৪। পেটে অতিরিক্ত ব্যথা কিংবা পেট ফুলে থাকা।

৫। বমি বমি ভাব কিংবা বার বার বমি হওয়া।

৬। ক্ষুধা কমে যাওয়া।

৭। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা ওজন অনেক বেশি কমে যাওয়া।

৮। যৌনমিলনের সময় ব্যথা পাওয়া।

৯। অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা।

১০। নারীদের মেনোপজ হওয়ার পরেও ব্লিডিং হওয়া।

বিয়ের পর বা আগে অনেকেই সঙ্গিনীর সঙ্গে যৌন মিলনে মিলত হন৷যৌন মিলন যে শুধু যৌন তৃপ্তি পাবার জন্য তা কিন্তু না । অধিকাংশই জানেন না যৌন মিলনের...

বিয়ের পর বা আগে অনেকেই সঙ্গিনীর সঙ্গে যৌন মিলনে মিলত হন৷যৌন মিলন যে শুধু যৌন তৃপ্তি পাবার জন্য তা কিন্তু না । অধিকাংশই জানেন না যৌন মিলনের ফলে কী কী উপকার হয়ে থাকে৷ আসুন জেনে নিই যৌন মিলনের স্বাস্থ্যগত উপকার ।
ভালো ব্যায়াম :

স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালিত হয়৷ তার ফলে যৌন মিলন একপ্রকার ব্যায়ামের কাজ করে৷পাশাপাশি শারীরিক মিলনের ফলে শরীর থেকে প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয় বলে গবেষকরা জানিয়েছে৷গবেষকরা জানিয়েছে, এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে।
ওজন কমে :

যৌন মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয়, তার ফলে ব্যক্তির ওজন কমে। নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা হ্রাস পায়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়। অনেকে লক্ষ টাকা ব্যয় করেন ওজন কমানোর জন্য৷ এ ক্ষেত্রে তারা উপকার পাবেন।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বা আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে শারীরিক মিলন৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে৷
ব্যাথা থেকে মুক্তি :

গনেষণায় দেখা গিয়েছে, যৌন মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়। ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিঃসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান।
ভালো ঘুম হয়:

শারীরিক মিলনের শরীর থেকে অক্সিটসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে উপকার পাবেন।
কর্ম ক্ষমতা বাড়ে :

শারীরিক মিলনের সময় শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে হরমোন নিঃসরণ হয়৷ যার ফলে দু’জনেরই কার্য ক্ষমতা বাড়ে৷পাশাপাশি নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে যৌবন বাড়ে বলেই মত গবেষকদের৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে। সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়। এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
সৌন্দর্য্য বাড়ে:

শারীরিক মিলনের হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপর। শারীরিক মিলন কালে নারীদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক উজ্জ্বল আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে।

প্রথমবার যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ উভয়েরই কিছু আশা প্রত্যাশা থাকে। প্রেমিকা-প্রেমিকা হোক বা স্বামী-স্ত্রী৷ কোন সম্পর্কই এই প্রত্য...

প্রথমবার যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ উভয়েরই কিছু আশা প্রত্যাশা থাকে। প্রেমিকা-প্রেমিকা হোক বা স্বামী-স্ত্রী৷ কোন সম্পর্কই এই প্রত্যাশার বাইরে নয়। তবে হ্যাঁ, নারী ও পুরুষ যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন অস্তিত্ব, তাই তাঁদের চাওয়া-পাওয়াগুলিও হয় একেবারেই ভিন্ন।

প্রেমিকা বা স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবার যৌন মিলনের ক্ষেত্রে পুরুষের অবশ্যই প্রত্যাশা থাকে কিছু ব্যাপার নিয়ে। তা কী কী? জেনে নিন বিস্তারিত।

১) সমস্ত পুরুষই আশা করেন যে তার স্ত্রী বা প্রেমিকা ভার্জিন হবেন। সঙ্গিনীর জীবনের প্রথম পুরুষ হবার বাসনা আমাদের সমাজে প্রতিটি ছেলের মাঝেই আছে।

২) প্রথম যৌন মিলনে প্রত্যেক পুরুষই একজন লজ্জাবনত নারীকেই মনে মনে প্রত্যাশা করেন৷ খুব বেশি চটপটে নারীকে নয়। সঙ্গিনী একটু লজ্জা পাবেন, একটু বাধা দেবেন। এই ব্যাপারগুলি পুরুষকে অনেক বেশি আকর্ষণ করে।

৩) এমন আচরণ প্রত্যাশা করেন, যাতে মনে হয় নারীটি যৌন কাজে অপটু। এতে পুরুষটি আনন্দিত হন এই ভেবে যে সঙ্গিনীর অভিজ্ঞতা কম। ফলে অনেক সহজবোধ করেন। পুরুষ নিজে নারীকে নানান বিষয় শেখাতে পছন্দ করেন।

৪) তারা প্রত্যাশা করেন সঙ্গিনী সুন্দর করে সজ্জিত হয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় রূপে উপস্থাপন করবে। প্রত্যেকেই এদিন সঙ্গিনীকে অপ্সরা রূপে দেখতে চান।

৫) এটা প্রত্যাশা করেন যে সঙ্গিনী যৌন মিলনে খুবই সন্তুষ্ট হবেন ও পুরুষের প্রশংসা করবেন।

৬) পুরুষেরা চান প্রথম মিলনে সঙ্গিনীর সামনে সবার সেরা হয়ে উঠতে। আর নারীর কাছ থেকে সেটার প্রকাশ আশা করেন সেটা। নারী নিজের সুখের অনুভূতি আচরে প্রকাশ করুক, এটা মনে মনে প্রত্যাশা করেন পুরুষ।

৭) সঙ্গিনীর শরীর পরিষ্কার-পরিছন্ন ও সুগন্ধীময় আশা করেন পুরুষেরা। একই সঙ্গে আর চান যে, সঙ্গিনী নিজের ভার তার ওপরে অর্পণ করুক।

বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে মহিলাদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৫টি এ...

বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে মহিলাদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি। জেনে নিন ৫টি এমন ভুলের কথা, যেগুলোর ফলে আপনার স্তনে পড়ছে বয়সের ছাপ ও নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক আকৃতি ও সৌন্দর্য।

স্তন এর সৌন্দর্য হারাচ্ছেন যে কারণে
একটি বড় কারণ সঠিক অন্তর্বাস বাছাই করতে না পারা

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিসার্চের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত অন্তর্বাস পড়ে থাকেন তাঁদের তুলনায় যেসব নারীরা খুব বেশি অন্তর্বাস পরিধান করেন নি, তাঁদের স্তনের আকৃতি অনেক বয়স পর্যন্তও সুন্দর থাকে। অপর আরেকটি রিসার্চে দেখা যায় যে ভুল মাপের অন্তর্বাস দ্রুত নষ্ট করে ফেলে আপনার স্তনের আকৃতি। অন্তর্বাস হতে হবে সঠিক মাপের। খুব বেশী টাইট বা খুব ঢিলেঢালা, দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

দেখে আসতে পারেন ঠিক মাপের ব্রা না পড়লে যা হতে পারেআপনি পর্যাপ্ত জল পান করেন না

পর্যাপ্ত জল পান না করলে ক্রমশ বয়সের ছাপ পড়ে আপনার ত্বকে এবং ত্বকের চামড়া ঝুলে যেতে থাকে সময়ের অনেক আগেই। এবং হ্যাঁ, শুধু মুখের নয়, সম্পূর্ণ শরীর তথা স্তনের ত্বকেও এর প্রভাব দেখা যায় অত্যন্ত বেশি।

দেখে আসতে পারেন খালি পেটে পানি পানের সুফল

অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচুন

সুতির পোশাক কিংবা পাতলা ফেব্রিক পরতে ভালোবাসেন? জেনে রাখুন, প্রখর সূর্যরশ্মি আপনার মুখের ত্বকের পাশাপাশি সম্পূর্ণ ত্বকেরই ক্ষতি করে। পোশাকে ঢাকা থাকলেও সূর্যের রশ্মি আপনার ত্বকে উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। বিশেষ করে স্তনের নরম ত্বকে। সূর্যের প্রখর উত্তাপ বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে অনেক ত্বরান্বিত করে দেয়।

দেখে আসতে পারেন মেয়েদের দুধ বড় করার নিয়ম
আপনি ধূমপান করেন

ধূমপান মানবদেহের জন্য একটি অভিশাপের নাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরুষের চাইতে অনেকটাই বেশী। ধূমপান আপনার ত্বকের ইলাসটিনকে নষ্ট করে ফেলে, যা ত্বকে টানটান ভাব ও তারুণ্য ধরে রাখে। ফলে আপনাকে দেখায় অনেক বেশী বয়স্ক। ধূমপায়ী নারীদের স্তনের আকৃতি ও সৌন্দর্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে নেই

ওজন কমানো ভালো, তবে ওজন কমে যাওয়ার প্রভাব সবার আগে পড়ে আপনার স্তনের উপর। কেননা স্তন তৈরি মূলত ফ্যাট সেল দিয়ে, তাই ওজন কমলে প্রথমেই স্তনে এর প্রভাব দেখা যায়। আপনি যখন বেশি মোটা হন, ত্বকে স্ট্রেচ হতে হতে ইলাসটিসিটি হারিয়ে ফেলে। পরে পরবর্তীতে আপনি যখন স্লিম হয়ে যায়, তখন স্তন ঝুলে যায়। দ্রুত ওজন না কমিয়ে ধীরে সুস্থে কমাতে হবে এবং ওজন খুব দ্রুত ওঠানামা করতে দেয়া যাবে না। অল্প অল্প করে ওজন কমালে স্তনের আকৃতি অনেকটাই কম নষ্ট হবে।

পেটের মেদ বাড়লে আমরা সবাই বেশ চিন্তায় পরে যাই। ভুঁড়ি থাকা সুখী মানুষের লক্ষণ- এই প্রবাদটির বর্তমানে তেমন কোনো মূল্যই নেই। একটু পেটের মেদ বা...

পেটের মেদ বাড়লে আমরা সবাই বেশ চিন্তায় পরে যাই। ভুঁড়ি থাকা সুখী মানুষের লক্ষণ- এই প্রবাদটির বর্তমানে তেমন কোনো মূল্যই নেই। একটু পেটের মেদ বাড়লে তা কমানো এবং ঢাকার জন্য আমরা সবাই উঠে পড়ে লাগি। পেটের মেদ নানা রোগের জন্ম দেয়। এছাড়াও একটু স্টাইলিশ মানুষের সাথে পেটের মেদটা ঠিক মানায় না।

সে যাই হোক, কিন্তু আমরা কি জানি আমাদেরই ভুলে প্রতিনিয়ত পেটে জমছে মেদ? হয়তো আপনি অনেক চেষ্টা করছেন পেটের মেদ কমানোর জন্য, কিন্তু কমছে না। তার কারণ আপনারই কিছু বাজে অভ্যাস। বিশ্বাস হচ্ছে না? চলুন তবে দেখে নিন আপনার কোন বাজে অভ্যাসগুলোর কারণে প্রতিদিন বাড়ছে পেটের মেদ।

সফট ড্রিংকস পান করা
গরম থেকে রেহাই পেতে বিভিন্ন সফট ড্রিংকস আমাদের অনেক সাহায্য করে। গরমের কারণে অনেকেই ইদানিং সফট ড্রিংকস পান করা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই সফট ড্রিংকস পান করার এই বাজে অভ্যাসটি আপনার পেটে জমাচ্ছে মেদ খুব দ্রুত। এই সব সফট ড্রিংকসে রয়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং প্রচুর চিনি যা পেটের মেদ জমতে সহায়তাকারী। তাই সফট ড্রিংকস পানের অভ্যাস বদলে ফলের রস, ফল এবং লেবুর সরবত খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

একবারে অনেক কিছু খাওয়া
অনেকেই আছেন কাজের ব্যস্ততায় খাওয়ার সময় পান না। দেখা যায় সকালে না খেয়েই বের হয়ে যান। এবং একবারে দুপুরে খাবার খান। কিংবা বিকেলে কিছু না খেয়ে ক্ষুধা পেটে রাতে একবারে খান। এই কাজটি পেটে মেদ জমতে সাহায্য করে দ্রুত। আপি যখন কোনো বেলা খাবার বাদ দেন তখন আপনার পেটে ক্ষুধা থেকে যায় যা পরবর্তী সময়ে অনেক বেশি খেতে বাধ্য করে আপনাকে। আপনি একবারে বেশি খেলে খাবার হজম হতে অনেক সময় নেয় এবং ততক্ষণে পেটে মেদ জমা শুরু করে।

রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়া
অনেকেই রাতে বেশ দেরি করে খাবার খেয়ে থাকেন। এবং খাওয়ার পরপরই বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। আপানার এই বাজে অভ্যাসটিও পেটে মেদ জমার জন্য দায়ী। ভরা পেটে শুয়ে ঘুমিয়ে গেলে আপনার হজমের সমস্যা হয়। এতে করে পেটে মেদ জমে। তাই রাতে দেরি করে খাবেন না। আর যদি নিতান্তই দেরি করে খেতে হয় তবে খাওয়ার পরে অন্তত ২/৩ ঘণ্টা পরে ঘুমাতে যান।

রাগ, বিষণ্ণতা এবং দুঃখ পেলে খাওয়া
অনেকেই আছেন রেগে গেলে কিংবা বিষণ্ণতায় পড়লে অথবা কোন ব্যাপারে দুঃখ পেলে খাবার খান। কিছুটা খাবার খাওয়া অবশ্যই খারাপ কিছু নয়, যদি তা আপনার মুড ঠিক করতে সাহায্য করে। কিন্তু সমস্যা হলো এই ধরণের অনুভূতির সময় আমরা কতোটা খাচ্ছি তার হিসাব আমরা রাখতে পারি না এবং রাখার মতো মানসিকতায় থাকি না। তখন অনেক বেশি খাওয়া হয়ে যায় এবং সবই আজে বাজে খাবার যা বাড়ায় পেটের মেদ। তাই রাগ, বিষণ্ণতা এবং দুঃখ পেলে খাওয়ার অভ্যাসটি ত্যাগ করাই ভালো।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া নারী পুরুষের মিলনের সময়ে পিঠ ব্যথা সম্পর্কিত একটি গবেষণালব্ধ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। দাম্পত্য জ...

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া নারী পুরুষের মিলনের সময়ে পিঠ ব্যথা সম্পর্কিত একটি গবেষণালব্ধ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। দাম্পত্য জীবনের মধুময় মিলনেও দেখা যায় নানা প্রকার জটিলতা। তারই একটি হলো পিঠ কিংবা কোমরে ব্যথা যাকে অনেকই ব্যাক-পেইন নামে চিনে থাকেন।

এই ব্যাক পেইন থেকে রক্ষা পেতে গবেষণা করে কিছু সমাধান দিয়েছেন কানাডার অন্টারিও’র ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। গবেষণা প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। সংবাদ মাধ্যমটির বরাতে সেই সমাধানগুলো উপস্থাপন করছে বাংলানিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকরা ১০ দম্পতির শারীরিক মিলনের পাঁচটি নিয়মিত আসনে মেরুদণ্ডের কর্যক্রম লক্ষ্য করেন। গবেষকরা সংসর্গের সময় ব্যথা অনুভব করলে মেরুদণ্ড দিয়ে ধাক্কা না দিয়ে ‘হিপ-হিংগিং’ গতি ব্যবহার করা উচিত বলে চিহ্নিত করেন।

এছাড়া, যৌন মিলনের সময় গমন পথ অনুসরণ করে অবলোহিত এবং তড়িচ্চুম্বকীয় গতি পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত বলেও জানান গবেষকরা। গবেষকরা সংসর্গের সময় পিঠের ব্যথা এড়াতে গোপনাঙ্গের অবস্থান ও চাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলে পরামর্শ দেন।

গবেষণায় দেখা যায়, সংসর্গে পুরুষরা প্রচণ্ড উত্তেজনা অনুভব করেন। এতে তাদের পেট, নিতম্ব এবং পেছনের পেশি ছাড়া সমস্ত অংশ সক্রিয় থাকে। গবেষক দলের সদস্য ন্যাটালি সিডোর্কিয়েজ বলেন, মিলনের সময় গোপনাঙ্গের অবস্থান এক ধরনের ব্যাক-পেইন বা পিঠ ব্যথার উপসর্গ ঘটায়। এক্ষেত্রে নানা রকমের অবস্থান নিয়ে মিলন করা যেতে পারে।

নখগুলোকে সুন্দর দেখাবার জন্যই তো আমরা নেইলপলিশ ব্যবহার করি, তাই না? কিন্তু আপনার প্রাকৃতিক নখটাই যদি দেখতে লাগে ঝকঝকে সাদা, ও আকর্ষণীয়, তাহ...

নখগুলোকে সুন্দর দেখাবার জন্যই তো আমরা নেইলপলিশ ব্যবহার করি, তাই না? কিন্তু আপনার প্রাকৃতিক নখটাই যদি দেখতে লাগে ঝকঝকে সাদা, ও আকর্ষণীয়, তাহলে আর নেইল পলিশের প্রয়োজন কী? হ্যাঁ, আপনি চাইলে নেইলপলিশ ছাড়াও আপনার নখগুলোকে রাখতে পারেন নজরকাড়া সুন্দর। জেনে নিন ১০ টি দারুণ টিপস।

১) ঠিক মত খাবেন। ডিম, দুধ , মাংস ইত্যাদি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাবেন রুটিন করে। কেবল নখ নয়, ত্বক ও চুলও ভালো থাকবে।

২) নখকে সর্বদা রক্ষা করুন। বেশী শীতে গ্লাভস পড়ুন, বেশী উত্তাপের কাছে নখ নেবেন না, নখ দিয়ে কোন কিছু খোলার বা বের করার চেষ্টা করবেন না।

৩) যারা নিয়মিত রান্না বান্নার কাজ করেন, তাঁরা লেবুর টুকরো দিয়ে নখ ঘষবেন। এতে নখে হলদে দাগ হবে না।

৪) হ্যান্ড স্যানিটাইযার খুব বেশী ব্যবহার করবেন না, এটা নখ নষ্ট করে ফেলে।

৫) নখে খুব বেশী নেইলপলিশ বা রিমুভারের সংস্পর্শ লাগতে দেবেন না। এগুলো নখ নষ্ট করে ফেলে।

৬) প্রতিদিন নখে তেল ম্যাসাজ করুন। নারিকেল তেল থেকে শুরু করে বাদাম তেল বা অলিভ অয়েল, যে কোন কিছুই কাজে আসবে।

৭) প্রতিদিন ছোট্ট একটি ব্রাশ দিয়ে ঘষে নখ পরিষ্কার রাখুন।

৮) মাসে একবার পেডিকিউর-মেনিকিউর করান পার্লারে।

৯) নখ বেশী ভঙ্গুর হলে চোখা শেপে কাটবেন না। এতে দ্রুত ভেঙে যাবে।

১০) নখ বেশী পাতলা হলে রোজ রাতে ঘুমাবার সময় ভ্যাসেলিন মেখে ঘুমাবেন।