Home Top Ad

শরতে চুলের আগা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। শরতে চুলের যত্নে করণীয় বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩২১১তম পর্বে কথা বল...

শরতে চুলের আগা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। শরতে চুলের যত্নে করণীয় বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩২১১তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন।

ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বর্তমানে শিওর সেল মেডিকেলের ডার্মাটোলজি বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : এই সময় চুলের যত্ন আমরা কী করতে পারি?

উত্তর : শরতে সাধারণত চুলের আগা ফাটাটা বেশি দেখা দেয়। সে কারণে এ সময় একটু ট্রিম করে চুল কেটে নেওয়াটা ভালো। আর আমি ছোট্ট একটি নিয়ম বলব। এটি পালন করলে চুল পড়ে যাওয়া, রুক্ষ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি থেকে চুলকে রক্ষা করতে পারি। এটি হলো অ্যান্টিস্টেটিক হেয়ার কম্ব। মানে চিরুনি যেখানে উপাদান থাকে অ্যান্টিস্টেটিক। চুলের একটি নিজস্ব পজিটিভ, নেগেটিভ চার্জ থাকে। এ জন্য চুলে জট লেগে যায় বা আটকে যায়। স্টেটিক কম্ব যদি বাজারে পাওয়া না যায়, আমরা স্বাভাবিক যে চিরুনিটা ব্যবহার করি, সেখানে একটু পানি স্প্রে করে নিলে বা সিলিকন অয়েল বা অ্যালোভেরা সেরাম স্প্রে করে নিলে আমাদের এই চিরুনি কিন্তু সে মুহূর্তের জন্য অ্যান্টিস্টেটিক কম্ব হয়ে যাচ্ছে। আর চুল মোছার জন্য মাইক্রোফাইবারযুক্ত তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে।

চোখের নীচের কালো দাগ সম্পূর্ণ মুখকে ম্লান করে দেয়। মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান, ঘুমের অসুবিধা পরিবেশ দূষণ, হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি ...

চোখের নীচের কালো দাগ সম্পূর্ণ মুখকে ম্লান করে দেয়। মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান, ঘুমের অসুবিধা পরিবেশ দূষণ, হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি কারণে চোখে কালো দাগ পড়ে।

চোখের কালো দাগ কমাতে নারকেল তেল একটি চমৎকার উপাদান। চোখের কালো দাগ কমাতে নারকেল তেলের ব্যবহারের কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. নারকেল তেলের ম্যাসাজ

নারকেল তেল চোখকে আর্দ্র ও মসৃণ রাখতে কাজ করে। হাতে সামান্য নারকেল তেল নিন এবং  চোখের পাতার ওপর ও নীচে চক্রাকারভাবে অন্তত পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। সারারাত এভাবে নারকেল তেল রেখে দিন এবং সকালে ওঠে চোখ ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য নিয়মিত এভাবে ম্যাসাজ করুন।

২. নারকেল তেল ও হলুদ

এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে। একটি পাত্রের মধ্যে এক টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো নিয়ে মেশান। মিশ্রণটি চোখের পাতার ওপরে ও নীচে লাগান। ১৫ মিনিট এভাবে  রাখুন। এরপর একটি তুলোর বলের মধ্যে পানি মিশিয়ে এটি মুছে ফেলুন।

তামাক গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা সবারই জানা। শরীরের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলেও অন...

তামাক গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা সবারই জানা। শরীরের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলেও অনেকে ছাড়তে পারেন না। এটি নেশায় পরিণত হয়ে যায়।

তবে কিছু ভেষজ রয়েছে যেগুলো ধূমপান ছাড়তে বা তামাক ছাড়তে সাহায্য করতে পারে আপনাকে। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে এ রকম কিছু ভেষজের কথা।

দারুচিনি

দারুচিনি ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। যখন ধূমপান বা অন্যান্য তামাক গ্রহণের নেশা জাগে, এক টুকরো দারুচিনি নিন। একে চিবাতে শুরু করুন। এটা ধূমপানে বিরত রাখতে সাহায্য করবে।

ত্রিফলা

ত্রিফলা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য পরিচিত। এটি ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে এক টেবিল চামচ ত্রিফলা খাওয়া ধূমপান কমাতে উপকারী।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা চিবানোও তামাক গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ও রাতে দুই থেকে তিনটি পুদিনা পাতা চিবান।

আদা, আমলকী, হলুদ

আদা, আমলকী ও হলুদ একত্রে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে খেতে পারেন। এক মাস এটি খাওয়া তামাক গ্রহণের প্রতি আগ্রহ কমাতে কাজ করবে।

অশ্বগন্ধা

অশ্বগন্ধা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি উদ্বেগ দূর করতে সাহায্য করে এবং তামাকের প্রতি আসক্তি কমায়। ৪৫০ মিলিগ্রাম থেকে ২ গ্রাম অশ্বগন্ধার শেকড়ের গুঁড়ো খাওয়া ভালো ফলাফল দেবে।

জন্ম নিয়ন্ত্রক বড়ি সেবন, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ ইত্যাদি কারণে  স্তন ব্যথা হতে পারে। স্তন ব্যথার সঙ্গে জীবন যাপনের সম্পর্কের বিষয়ে ...

জন্ম নিয়ন্ত্রক বড়ি সেবন, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ ইত্যাদি কারণে  স্তন ব্যথা হতে পারে। স্তন ব্যথার সঙ্গে জীবন যাপনের সম্পর্কের বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩২১৮তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. আফরিন সুলতানা।

ডা. আফরিন সুলতানা বর্তমানে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : কীভাবে আপনারা নিশ্চিত হন যে তার আসলেই কোনো সমস্যা নেই?

উত্তর : এটা আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রথমেই রোগীকে আমরা পরীক্ষা করি।  ক্লিনিক্যাল স্তন পরীক্ষা যেটা, যেটা একজন ফিজিশিয়ান করেন, সেটি করি। আমরা প্রথমে বিভিন্ন অঙ্গ বিন্যাসে রোগীকে পরীক্ষা করে দেখি। দেখি যে তার আসলেই খুব বেশি ব্যথা রয়েছে কি না। রোগী আসলেই এটিতে কষ্ট পাচ্ছে কি না, এটি দেখি। এরপর আমাদের মেডিকেশনে যেতে হয়। আমরা একটি পরীক্ষা নিজেরাই ধারণা করে নিই, অনেক ক্ষেত্রে একটি আল্ট্রাসোনোগ্রাম করা লাগতে পারে। যদি আমাদের মনে হয়, এর দরকার রয়েছে, তখন করি। আর স্তন ব্যথার সময়টুকু দেখি। দেখি যে তার ঋতুস্রাবের পরেও ব্যথা হচ্ছে কি না। তখন আমরা তাদের সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দেই।প্রশ্ন : জীবন যাপনের ধরন কী এ ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা পালন করে থাকে? এদের কোনো পরামর্শ কি দিয়ে থাকেন?

উত্তর : জীবন যাপনের ধরন কিন্তু আমাদের বেশিরভাগ রোগকে প্রভাবিত করে। যারা ওরাল কনট্রাসেপটিভ পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি ব্যবহার করে থাকে, তাদের এমন ব্যথা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি যারা নেয়, তাদের ক্ষেত্রে এমন ব্যথা হতে পারে। যাদের ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেছে, তারা অনেক সময় হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নেয়। বয়সের সঙ্গেও ব্যথার ধরনটা আলাদা হতে পারে। যেটা ঋতুস্রাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় তার ব্যথাটা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের নিজেদেরই এটা বুঝে নিতে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এগুলো এড়ানো যেতে পারে।

প্রশ্ন : পরবর্তী সময় কি ফলোআপের জন্য আসতে বলেন? তখন কী দেখেন?

উত্তর : যখনই রোগী আসলে আমাদের কাছে মেসটালজিয়া নিয়ে আসে, সবার প্রথমে যেই জিনিসটা দরকার হয়, সেটি হলো তাদের কাছে বর্ণনা করা। সবাই খুব ভয়ে থাকে যে আমার ক্যানসার হয়ে গেল কি না। কোনো অসুবিধা রয়েছে কি না। যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটা ফিজিওলজিক্যাল প্রক্রিয়া, তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের প্রাকৃতিক। রোগীকে পরামর্শ দিতে হয়। যখনই দেখে, তেমন কোনো কঠিন রোগ নেই, মানসিকভাবে সে অনেক স্বস্তি  পায়। আমরা তো বলি যে কাউন্সেলিংয়ে এটি অনেকটুকুই ভালো হয়ে যায়। যাদের আসলেই অসুবিধা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে আমরা ওষুধ দেই। সাধারণত ছয় সপ্তাহ থেকে তিন মাসের মধ্যে আমরা রোগী ভেদে ফলোআপের জন্য আসতে বলি। তখন আমরা আবার রোগীকে পরীক্ষা করে দেখি।

ওজন বাড়াতে চাই,  কী করব?  এমন প্রশ্ন অনেকেই করেন।  আসলে ওজন বেড়ে গেলে যেমন কষ্ট,  ঠিক ওজন কম থাকলেও অনেক কষ্ট। যাদের ওজন কম,  তাদের নানা চে...

ওজন বাড়াতে চাই,  কী করব?  এমন প্রশ্ন অনেকেই করেন।  আসলে ওজন বেড়ে গেলে যেমন কষ্ট,  ঠিক ওজন কম থাকলেও অনেক কষ্ট। যাদের ওজন কম,  তাদের নানা চেষ্টা থাকে কি করে ওজনটা বাড়ানো যায় সে বিষয়ে।

তাই বলে অনেক বেশি বেশি খেয়ে ওজন বাড়ানোই কি সমাধান?  না, তা মোটেও নয়। ওজন কী কারণে কম তা প্রথমে জানা জরুরি।

বিভিন্ন কারণে মানুষের ওজন কম হতে পারে। মায়ের বুকের দুধ জন্মের পর না খাওয়া,  সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে কমপ্লিমেন্টারি খাবার না খাওয়া,  ব্লেন্ড করে খাওয়া, ঘরের খাবার না খেয়ে টিনজাত খাবার খাওয়া ইত্যাদি  কারণে অনেক সময় দুই বা তিন বছর বয়সের পর অনেকের ওজন কমতে থাকে। আবার বংশগত কারণ, হরমোনজনিত কারণেও অনেকের ওজন কম থাকে। অনিয়মিত জীবন যাত্রার কারণেও ওজন কমে। যেমন, সময়মতো না খাওয়া,  রাত জাগা,  পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া ইত্যাদি কারণেও ওজন কম হতে পারে।

ওজন কম হলে শারীরিক ও মানসিক উভয় সমস্যাই হয়। মেজাজ খিটখিট,   মাথা ব্যথা,  দুর্বলতা,  ক্লান্ত হওয়া,  চুলপড়া,  বুক ধড়ফড় করা ছাড়াও নানা রকম সমস্যা হতে পারে। ওজন বাড়লে যেমন মানুষের মন অনেক ছোট হয়,  কষ্ট পায়,  ঠিক তেমনি কম ওজনের কারণেও অনেকে নিজেকে আড়াল করে রাখে।

অনেকে ফাস্টফুড, মিষ্টি খেয়ে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করে। এটি শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। রক্তের কিছু পরীক্ষা যেমন,  হরমোন বিশেষ করে থাইরয়েড হরমোন, রক্তের হিমোগ্লোবিন,  ব্লাড সুগার,  লিপিড প্রোফাইল,  লিভার ফাংশন ইত্যাদি দেখা খুব জরুরি। অনেক সময় ওজন বাড়াতে বেশি বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খেলেন,  এতে ওজন কিছু বাড়লেও রক্তের চর্বিও অনেক বেড়ে যেতে পারে।

আবার ওজন বাড়াতে অনেকে অনেক কার্বহাইড্রেট বা মিষ্টি খায়, কম প্রোটিন খায়। এতে রক্তের হিমগ্লোবিন কমে রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যায়।

ওজন বাড়ানোর সঠিক নিয়ম হলো,  কারণ বের করার পর সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া। জীবনযাত্রা যদি হয় কারণ, তবে ওজন বাড়াতে অবশ্যই সেটি পরির্বতন করতে হবে।

আপনার বর্তমান ওজনের সঙ্গে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩৫ কিলোক্যালরি হিসাব করে ডায়েট শুরু করতে হবে। যেমন কারো ওজন যদি ৪৫ কেজি হয়, তবে ওজন বাড়াতে প্রথমে তাকে এক হাজার ৪০০ কিলোক্যালরির ডায়েট শুরু করতে হবে। দুই মাস পর ওজন বাড়ার ওপর ভিত্তি করে ধীরে ধীরে ক্যালোরি বাড়াতে হবে। ওজন কমাতে যেমন ধারাবাহিকভাবে নিয়ম মেনে কমাতে হয়,  ঠিক তেমনি ওজন বাড়াতেও ধারাবাহিকতা মানতে হবে।

কে কত ওজন বাড়াবে, তা নির্ভর করে তার বিএমআই ও শারীরিক গঠনের ওপর। তাই এই কাজটি নিজে নিজে নয় বা ইন্টারনেট দেখে দুই হাজার বা দুই হাজার ৪০০ ক্যালোরির খাবার নয়, সুষম প্রোটিন বহুল ও কমপ্লেক্স কার্বহাইড্রেট যুক্ত খাবার বারে বারে খেতে হবে। এ ছাড়া  ৩০ মিনিট হাঁটা এবং আট ঘণ্টা ঘুমানো- এই বিষয়গুলো মানলে আপনার ওজন সঠিক ও সুন্দরভাবে বাড়বে। আর সেই জন্য একজন বিশেষজ্ঞ বা ডায়েটিশিয়ানের কাছে যাওয়া জরুরি।

পেটে মেদ জমা এক বিরম্বনার বিষয়। অনেক কারণেই পেটে মেদ জমতে পারে। যেমন : সাম্প্রতিক সন্তান দান, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিরিক্ত সময় সোফায় বসে থাকা...

পেটে মেদ জমা এক বিরম্বনার বিষয়। অনেক কারণেই পেটে মেদ জমতে পারে। যেমন : সাম্প্রতিক সন্তান দান, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিরিক্ত সময় সোফায় বসে থাকা, বেশি খাবার গ্রহণের সঙ্গে কম শারীরিক পরিশ্রম ইত্যাদি। তবে যে কারণেই পেটে মেদ জমুক না কেন ব্যায়ামের ম্যাধ্যমে আপনি আপনার দেহকে ঠিক করতে পারেন। সপ্তাহে তিন কিংবা চারবার এ ধরনের ব্যায়াম করলে আপনার পেট টান টান হবে।

আজ থেকেই শুরু করুন। এ ব্যায়াম তেমন কঠিন কিছুই নয়। দিনে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিন। দেখবেন কেমন আকষর্ণীয় হয়ে ওঠেছে আপনার দেহ।

ব্যায়াম নম্বর এক

ম্যাট কিংবা কার্পেট বিছানো মেঝের ওপর শুয়ে পড়ুন। আপনার হাত দুটো আলতো করে মাথার পেছনে নিন। হাঁটু দুটো বাঁকা করুন এবং পায়ের পাতা দুটো মেঝের ওপর রাখুন। এবার আপনার পেটটাকে ব্যবহার করে ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে আপনার মাথা, দুকাঁধ ও পিঠের ওপরের অংশ তুলতে থাকুন। এ সময়ে আপনার পেটটাকে শক্ত রাখুন এবং নিশ্বাসের সঙ্গে বাতাস বের করে দিন। এভাবে কিছুক্ষণ থাকুন, তারপর আবার শুয়ে পড়ুন। ব্যায়ামটা ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

ব্যায়াম নম্বর দুই

আগের মতোই শুয়ে পড়ুন। অর্থাৎ উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটো আলতোভাবে মাথার পেছনে নিন, হাঁটু বাঁকা করুন এবং পায়ের পাতা দুটো মেঝের ওপর রাখুন। শরীরের ওপরের অংশ ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে তুলুন। এবার আপনার শরীরকে ঘোরান, আপনার বাম কাঁধকে ডান হাঁটুর দিকে রাখুন। এভাবে কিছুক্ষণ থেকে আপনার পূর্বাবস্থায় ফিরে যান। এরপর একইভাবে অন্যদিকে শরীরকে ঘোরান, ডান কাঁধকে বাম হাঁটুর দিকে নিন। ব্যায়ামটা প্রতি দিকে ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

ভালো ফলের জন্য ধীরে চলুন

তাড়াহুড়া করবেন না। ১০০ বার এ ধরনের ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ভালো ফল লাভের জন্য ধীর নীতি মেনে চলুন। যদি ধীরে চলতে পারেন তাহলে দ্রুত আপনার পেটের মেদ কমে যাবে। কতক্ষণ ব্যায়াম করবেন? দিনে ১০ মিনিট যথেষ্ট। ছয় থেকে আট সেকেন্ড আপনি একটি ব্যায়াম সম্পূর্ণ করতে পারেন। করার সময় ধীরে ধীরে গুনতে থাকবেন যেমন এক, দুই, তিন, চার। শরীর ওঠানামার সময় এভাবে গুনবেন। তারপর আবার যখন শুয়ে পড়বেন তখন পাঁচ, ছয়, সাত, আট এভাবে গুনতে গুনতে শোবেন।     

অন্ধত্ব ও চোখের বিকলতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সারা বিশ্বে আজ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের স্লোগান ‘আই কেয়ার এভরি হোয়ার...

অন্ধত্ব ও চোখের বিকলতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সারা বিশ্বে আজ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের স্লোগান ‘আই কেয়ার এভরি হোয়ার’, অর্থাৎ সর্বত্র দৃষ্টি সেবা।

বাংলাদেশে সাড়ে সাত লাখ মানুষ অন্ধত্বের শিকার। এর শতকরা ৮০ ভাগই ছানিজনিত অন্ধত্ব। এ ছাড়া অন্ধত্বের অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে নানাবিধ দৃষ্টি ত্রুটি, গ্লুকোমা, আঘাতজনিত চক্ষু রোগ, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও শিশু অন্ধত্ব।

জাতীয় অন্ধত্ব পরিসংখ্যান (১৯৯৯-২০০০) এবং শিশু অন্ধত্ব গবেষণা ২০০২-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৩০ বছর বা তারও বেশি বয়স্ক লোকের মধ্যে প্রায় ছয় থেকে আট লাখ লোক অন্ধ। প্রায় চল্লিশ হাজার শিশু অন্ধত্ব নিয়ে বেঁচে রয়েছে।

চোখের যত্নে ভিটামিন এ, সি, ডি, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম এবং সামুদ্রিক মাছ জাতীয় খাবার। এগুলো চোখের স্বাভাবিক গঠন, কাঠামো ঠিক রাখবে। এ ছাড়া দৃষ্টিশক্তি বাড়াবে, চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করবে। তাই চোখের যত্ন নিন এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।