Home Top Ad

দাম্পত্য জীবন হলো প্রতিটা পুরুষ এবং নারীর জন্য বহুল প্রত্যাশিত এক জীবন। এই জীবন সুন্দর, স্বর্গীয় এবং পূর্ণতা লাভ করে স্বামী স্ত্রীর দৈহিক ম...

দাম্পত্য জীবন হলো প্রতিটা পুরুষ এবং নারীর জন্য বহুল প্রত্যাশিত এক জীবন। এই জীবন সুন্দর, স্বর্গীয় এবং পূর্ণতা লাভ করে স্বামী স্ত্রীর দৈহিক মিলনের মাধ্যমে। এর জন্য নারী পুরুষ উভয়েরই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অবদান রয়েছে। কিন্তু যৌনতা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকায় পুরুষরা শুরুতেই মারাত্মক কিছু ভূল করে থাকেন যা তাদের বয়ে বেড়াতে হয় বহু দিন যাবৎ।

পুরুষদের কিছু রাক্ষুসে মনোভাবের কারনে অনেক সময় দেখা যায় যে দাম্পত্য সম্পর্কটি নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যায়। এই সমস্যার মূল কারন হল, দৈহিক মিলন এবং মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন কিছু নেই বললেই চলে। তাই এই বিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করা হলো :

স্ত্রীকে প্রথমে চুম্বন না করা :- দৈহিক মিলনের শুরুতেই স্ত্রীর আদরের সাথে চুম্বন না করে যৌনকাতর স্থানগুলোতে চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে প্রকৃত ভালোবাসেন না, শুধুমাত্র দৈহিক চাহিদা মেটাতেই তার কাছে এসেছেন। গভীরভাবে ভালোবেসে স্ত্রীকে চুম্বন দেওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরণ যৌনানন্দময় মিলনের সূচনা করে।

প্রথম থেকেই স্ত্রীর বক্ষ নিয়ে মেতে ওঠা :- বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় পুরুষরা স্ত্রীর বক্ষ নিয়ে মেতে ওঠে। প্রায় সব মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করলে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দমিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়া উচিত।

স্ত্রীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়া :- দৈহিক মিলনের সময় পুরুষদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে, মেয়েদের বক্ষসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। পুরুষদের মূল যৌনকাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর। তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে স্বামীর স্পর্শ যায়নি।

একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়া :- পুরুষরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক স্ত্রীর চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়া উচিত।

যাদের মুখে ব্রণ আছে, তাঁরা কোন রঙ ফর্সা করা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন না। এসব ক্রিমে ব্রণে দাগ তো কমেই না, উল্টো আরও ব্রণ বাড়ে। তাহলে উপায়? ...

যাদের মুখে ব্রণ আছে, তাঁরা কোন রঙ ফর্সা করা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন না। এসব ক্রিমে ব্রণে দাগ তো কমেই না, উল্টো আরও ব্রণ বাড়ে। তাহলে উপায়? ঈদের সময়ে কি এমনও নিষ্প্রাণ চেহারা নিয়েই থাকতে হবে আপনাকে? তাহলে জেনে নিন ২০ মিনিটে ব্রণের দাগ সহ যে কোণ দাগ কমিয়ে রঙ ফর্সা করার একটি দারুণ কার্যকরী উপায়। যাদের মুখে ব্রণ নেই, তাঁরাও এটা ব্যবহার করতে পারবেন!

এই পদ্ধতিতে আমরা ব্যবহার করবো দুধ ও জায়ফল গুঁড়ো। অনেকের জায়ফলে এলার্জি থাকতে পারে, তাঁরা এটা ব্যবহার করবেন না। এই প্রক্রিয়াটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন। এছাড়াও প্রথম ব্যবহারেই পার্থক্য নজরে পড়বে।

যা যা লাগবে
কাঁচা দুধ
তাজা জায়ফলের গুঁড়ো

প্রণালি
-তাজা জায়ফলকে মিহি গুঁড়ো করে নিন। মুখে ব্রণ থাকলে অর্ধেক জায়ফল নিন। ব্রণ না থাকলে একটি পুরোটাই নিতে পারেন।
-যতখানি গুঁড়ো হবে, ততখানি কাঁচা দুধ দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন।
-এবার এই পেস্ট মুখে মাখুন। শুধু মুখ কেন, শরীরের যে কোন অঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন।
-২০ মিনিট রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। পার্থক্য দেখতে পাবেন নিজেই!
-ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করুন।

গোপন অঙ্গে চুলকানির সমস্যা নারী জীবনের অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। বেশিরভাগ নারীই নজ্জায় এই বিষয়টি চেপে যান কিংবা মোটেও গুরুত্ব দেন না। তা...

গোপন অঙ্গে চুলকানির সমস্যা নারী জীবনের অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। বেশিরভাগ নারীই নজ্জায় এই বিষয়টি চেপে যান কিংবা মোটেও গুরুত্ব দেন না। তাঁরা জানেন না যে বেশিরভাগ নারীকেই জীবনে কখনো না কখনো এই সমস্যাটির মোকাবেলা করতেই হয় এবং এটি আসলে রোগের লক্ষণ! একটু খানি সচেতনতাই আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে অনেক গুলো শারীরিক সমস্যা থেকে। লজ্জা নয়, সচেততা জরুরী। চলুন, আজ জানি গোপন অঙ্গে চুলকানির কারণ, প্রতিকার ও আপনার করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত।

যেসব কারণে হতে পারে চুলকানি

সাধারণ যেসব কারণে গোপন অঙ্গে চুলকানি হতে পারে সেগুলো হচ্ছে অ্যালার্জি। টাইট কাপড় পরিধান, কোন সাবান বা পারফিউমের রিঅ্যাকশন, ঘামে ভেজা কাপড় দীর্ঘ সময় পরে থাকা ইত্যাদি। এছাড়াও ইস্ট ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়ার কারণেও হতে পারে এই চুলকানি।হতে পারে হরমোনের সমস্যা বা কোন ত্বকের রোগের কারণেও। মেনোপজের পরও গোপন অঙ্গে হতে পারে এমন চুলকানি। গোপন অঙ্গ যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরও যদি প্রতিদিন ঘনঘন চুলকানি হতে থাকে যা মোটেও স্বাভাবিক নয়, তাহলে আপনার উচিত এখনোই সচেতন হয়ে যাওয়া।

কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?

যদি গোপন অঙ্গে গন্ধ ও চুলকানির উপস্থিতি একত্রে টের পান, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়াই উত্তম। পশ্চাৎ দেশের মত যোনিতেও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া থাকে। কিন্তু খারাপ ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ যখন বাড়তে থাকে তখন বাজে গন্ধ ও জ্বালাপোড়া হতে থাকে, এটা একটি রোগের লক্ষণ যাকে বলে bacterial vaginosis। অন্যদিকে ইস্ট ইনফেকশনের কারণে যদি চুলকানি হয়ে থাকে, তাহলে চুলকানির সাথে গন্ধ থাকতে পারে, থাকবে ঘন সাদা স্রাব। ইস্ট ইনফেকশন অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। যৌন সম্পর্ক, অ্যান্টি বায়োটিক খাওয়া, এমনই দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের কারণেও হতে পারে এই সমস্যাটি। এগুলো সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে তো যাবেনই, চুলকানির সাথে যদি প্রস্রাব ত্যাগেও কষ্ট হয় বা যৌন মিলনে ব্যথা অনুভব করেন, তাহলেও দেরি না করে দ্রুত যাবেন ডাক্তারের কাছে।

এছাড়াও ঘরে যা করতে পারেন

১) সর্বদা বিশেষ অঙ্গটি পরিষ্কার রাখবেন। অন্যদের চাইতে একটু বেশিই যত্ন করবেন। প্রত্যেকবার টয়লেটের কাজ সারার পর উষ্ণ পানি ও ভালো সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে ভালো করে মুছে জায়গাটি শুকনো রাখবেন।

২) একদম ঢিলেঢালা সুতির অন্তর্বাস পরিধান করুন। দিনে দুবার অন্তর্বাস বদলে ফেলুন। এছাড়া ঘামে ভেজা অন্তর্বাস বেশি সময় ব্যবহার করবেন না।

৩) গোপন অঙ্গের জন্য একদম মাইলড কোন সাবান বা পরিশকারক ব্যবহার করুন। নিউট্রিজেনার লিকুইড সোপ বা গন্ধ বিহীন বিদেশী সাদা ডাভ সাবান ব্যবহার করতে পারেন। এমন কিছু ব্যবহার করবেন যাতে সুগন্ধী নেই।

৪)মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারও কম খাবেন। ইস্ট ইকফেকশন হয়ে থাকলে এতে অনেকটাই কাজ দেবে।

৫) রাতের বেলা অন্তর্বাস পরে ঘুমাবেন না। বিশেষ করে গরমের দিনে।

৬)গোপন অঙ্গে পাউডার ব্যবহারের অভ্যাস থাকলে বেবি পাউডার ব্যবহার করুন।

প্রতিকার চাওয়ার আগে চলুন আপনার স্তনের উপর কিছু সাধারণ তথ্য জেনে নিন (Before getting into the remedies, you might like to know some common ...

প্রতিকার চাওয়ার আগে চলুন আপনার স্তনের উপর কিছু সাধারণ তথ্য জেনে নিন (Before getting into the remedies, you might like to know some common facts on shades of nipples)

স্তনের বিভিন্ন রঙের হতে পারে যেমন গোলাপী, লাল, বাদামি, কালো, ইত্যাদি।
আমাদের স্তন জন্ম থেকে বার্ধক্য, গর্ভাবস্থাকে থেকে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত বিকশিত হয়।
প্রাথমিকভাবে আমাদের স্তন গোলাপী রঙের হয়। রঙ এবং আকার শারীরিক পরিবর্তনের সঙ্গে বিভিন্নমুখী হতে শুরু করে।
অনেক কারণ আমাদের স্তনের রঙের পরিবর্তন ঘটায়। এর মধ্যে কিছু সাধারণ কারণ যেমন জিনগত অবস্থা, মাসিক, গর্ভাবস্থা, বয়ঃসন্ধি , বুকের দুধ খাওয়ানো, ওষুধ, চামড়া মর্দন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
স্তনের ত্বকের পার্শ্ববর্তী অংশের এউমেলানিন (Eumelanin) বা বাদামী রঙ্গক (brown pigment ) এবং ফেওমেলানিন (Pheomelanin) লাল রঙ্গক (red pigment) এই দুই কারণে নিয়ন্ত্রিত হয়। এই রঙ্গকের বিস্তার আমাদের ব্রণ বা ফোড়ার চারপাশের গোলাকার অংশকে লালচে করে দেয়।
স্তনের রঙ চামড়ার প্রকৃতির উপর নির্ভর করে, যেটা আবার বংশগ ত ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। ককেশীয় (Caucasians ) অঞ্চলে গোলাপী স্তণ, দক্ষিণপূর্ব এশিয়াতে (Southeast Asians) বাদামী স্তণ, আফ্রিকার (Africans) কালো স্তণ ইত্যাদি দেখা যায়।
পুরুষরা সাধারণত গাঢ় রঙের স্তন যুক্ত নারী বেশি পছন্দ করে। তাই আপনি এই সমাধান গুলি ব্যবহার শুরু করার আগে নিশ্চিত করুন যে এ ব্যাপারে আপনার সঙ্গীর এর সম্মতি আছে কি না!
ইউ এস -এর সাদা চর্ম যুক্ত ১২% সুন্দরীরা বিশ্বাস করে তাদের স্তনের জন্য গাঢ় রং প্রয়োজন কারণ তারা স্বাভাবিক ভাবেই গোলাপি রং পায়। তারা বিশ্বাস করে গাঢ় রং অধিক যৌন আবেদন ময় হয়।
গোলাপী স্তনের জন্য ঘরোয়া প্রতিকার (Home remedies for pink nipples)

উপরের সব তথ্য পড়ার পরও যদি আপনি এখনও আপনার সিদ্ধান্ত অটল থাকেন, তাহলে আমরা আপনার স্তনকে উজ্জ্বল এবং গোলাপি করার জন্যে কিছু সমাধান জানাতে পারি:

লেবুর নির্যাস (Lemon extract):লেবুর রস এই কারণে বহুল পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। লেবুর রস পিষে নিন এবং মধু ও দই যোগ করুন। এটি স্তনের উপর প্রয়োগ করুন এবং শুকিয়ে যাওয়ার জন্যে ৩০ মিনিট সময় দিন। তারপর এটাকে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করুন।
বাতাবি লেবু (Lime):লেবুর রস বের করে এতে মধু যোগ করুন। এই মিশ্রণ আপনার স্তনের বোঁটায় প্রয়োগ করুন এবং এটি শুকিয়ে যেতে ৩০ মিনিট সময় দিন। এটাকে মুছে ফেলুন এবং সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। লেবু আম্লিক হওয়ায় আপনার ত্বক থেকে মৃত কোষ তুলতে সাহায্য সাহায্য করে এবং আপনার স্তনকে দেয় নবীন চেহারা।
ময়েসটনার (Moistener):লেবুর সাথে আপনি লাইটনিং ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন। আপনার স্তনের উপর এরকম মলম যেমন ভেসলিন (Vaseline), লিপ বাম (lip balm ) বা শিয়া মাখন (shea butter )প্রতি রাতে লাগান, এটা আপনার স্তনকে সতেজ রাখে। পরের দিন সকালে স্নান করার সময়, এই অংশটি ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে ভুলবেন না। এটি বিশেষত ব্রণ প্রতিরোধ করে।
বাদাম (Almonds):বাদাম আপনার স্তনের রং পরিবর্তন করতে খুব সাহায্য করে। আপনি ব্লেন্ডারে দুধ ও বাদাম ভাল করে পিষে নিন এবং নির্দিষ্ট অংশে প্রয়োগ করুন। এছাড়াও আপনি বাজার থেকে বাদাম তেল কিনতে পারেন এবং নির্দ্বিধায় ব্যবহার করতে পারেন। আপনি এটাকে এক ঘন্টা রেখে দিন এবং তারপর এটা আপনি মুছে ফেলুন এবং পরিষ্কার করে ফেলুন। উল্লেখযোগ্য ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত এটি পুনরাবৃত্তি করতে থাকুন।
স্তনের সুন্দর রং পাওয়ার পাশাপাশি, আমদের মনে রাখতে হবে যে আমাদের স্তনের ভাল স্বাস্থ্যও। আপানর খাদ্য তালিকা, শরীর চর্চা, শরীরকে ব্যবহার করা ইত্যাদির প্রভাব আপনার স্তন এবং বোঁটায় পড়ে। চলুন আমারা এই জন্য কিছু টিপস জেনে নিই :

সঠিক খাদ্য ব্যবহার (Proper food consumption):অনেক অধ্যয়ন ও গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে কিছু স্তন ক্যান্সার (breast cancer) প্রতিরোধ করতে পারে। এই ধরণের ফল এবং শাকসবজিতে যা অ্যান্টি – অক্সিডেন্ট সমূহের (antioxidants ) উপস্থিতি থাকে এবং এগুলি গ্রহণ করলে আপনার জন্যে যত্নও নেয়। আপনার স্তনের যত্নের জন্যে তিসি দানা (flaxseeds), আখরোট (walnuts), মাছের তেলের ওমেগা -3 ফ্যাটি (omega-3 fatty acids in fish oil), ক্র্যানবেরি (cranberries), ডিম (eggs), অ্যাভোকাডো (avocados) ইত্যাদি আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করা আবশ্যক।
ব্যায়াম (Exercise):এক সপ্তাহের মধ্যে 4 ঘন্টার জন্য শরীর চর্চা করলে শরীরে ইস্ট্রজেন (estrogen ) এর মাত্রা কমে যায় এবং আপনি স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম হয়।
ধূমপান বন্ধ করুন (Stop smoking):ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্যে অনেক রোগ নিয়ে নিয়ে আসে। এর মধ্যে আছে স্তন ক্যান্সার (breast cancer) এবং গর্ভ ধারণে বাধা (pregnancy hindrances)। যে সব নারী ধূমপান করেন তাঁদের স্তন ক্যান্সার (breast cancer) এর সম্ভাবনা অ – ধূমপায়ী নারীদের থেকে ৩০% বেশি।
মদ্যপান বন্ধ করুন(Stop drinking):এটা ধূমপানের মত অত ক্ষতিকর নয়। অল্প পরিমাণে এলকোহল ঠিক কিন্তু অধিক পান শুধুমাত্র আপনার শরীরের অঙ্গের ক্ষতি করে তাই নয়, এটা আপনার পেশীকে শক্ত করে দেয়। গবেষণা থেকেও প্রমাণিত হয় অত্যধিক মদ্যপানের জন্যে স্তন ক্যান্সার (breast cancer) হতে পারে।
নিদ্রা কালীন দেহ ভঙ্গী (Sleeping posture):ভাল ভাবে স্তন বৃন্তের যত্নের জন্য আপনার শোওয়ার অবস্থান প্রতি সতর্ক হন। আপনার পেটের উপর শুলে আপনার স্তন এবং পাকস্থলীর উপর চাপ পড়ে এবং একে বাড়তে দেয় না।এটি একদমই আপনার জন্য স্বাস্থ্যকর নয়।
সব শেষে, আপনার মনে রাখা উচিত যে সমগ্র স্তনের স্বাস্থ্য ভাল থাকলেই আপনি উজ্জ্বল এবং ভাল স্তন পাবেন। আপনি আপনার পছন্দের প্রতিকার ব্যবহার করা শুরু করুন, খুব শীঘ্রই আপনি এই অংশে উন্নতি করতে পারবেন।

কিছু পরামর্শ (Tips)

মাল বেরি নির্যাস (Mulberry extracts) : আপনি মাল বেরি (Mulberry) বা ল্যাকটিক অ্যাসিড (lactic acid) ব্যবহার করতে পারেন কারণ এগুলি ভিটামিন সি (vitamin C) এর ভাল উৎস হিসেবে কাজ করে। এগুলির সাহায্যে খুব সহজেই স্তনের বোঁটাকে উজ্জ্বল করা যায়। ব্রণ বা ফোড়ার চারপাশের ত্বকে যে কালো দাগ তৈরি হয় সেই অংশকে বিবর্ণ করে এখানে নতুন ত্বক উৎপন্ন হয়। ফলে আপনার ত্বক হয়ে ওঠে গোলাপি।
অ্যাব্রুটিন (Arbutin) : এই স্তনকে উজ্জ্বল করে। এটা কালো চামড়া অপসারণ করে এবং নতুন কালো চামড়া তৈরি হতে বাধা দেয়। এটা ত্রায়সিনেজ (tyrosinase) কমিয়ে ফেলে এবং মেলানিন (melanin) উৎপন্ন করে।
আপনি কমলালেবু, শসা, মধু, দুধ এবং অ্যাভোকাডো ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনার কাছে উপরে উল্লিখিত উপাদানগুলো না থাকে। এগুলোও ত্বককে উজ্জ্বল করতে গুরুত্ব পূর্ণ ভাবে সাহায্য করে।
ভিটামিন সি (vitamin C ) এর বিকল্প গুলি গ্রহণ করুন কারণ এগুলি কালো চামড়া তৈরি হতে বাধা দেয়। ভিটামিন সি ((vitamin C ) ) এন্টি – অক্সিডেন্ট (anti-oxidant ) – এর একটি ভাল উৎস যা শুধুমাত্র আপনার শরীরের অংশকে উজ্জ্বল করে তাই নয়, এটির ব্যবহারে আপনি পান একটি প্রখর দীপ্তি এবং আপনি হয়ে ওঠেন স্বাস্থ্যকর।
কমলা লেবু নিয়ে একটি জুস তৈরি করুন এবং তারপর এটি নির্দিষ্ট এলাকায় এটি প্রয়োগ করুন। এটা ভাল ভাবে শুকিয়ে যেতে দিন। দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য এক দিন অন্তর পুনরাবৃত্তি করুন। আপনি ত্বকে জ্বলুনি বা চুলকানি হয় তাহলে অন্য উপাদান ব্যবহার করুন।
এছাড়াও আপনি এই উদ্দেশ্যে যষ্টিমধু (Liquorice ) ব্যবহার করতে পারেন। এটিও আপনার জন্যে একই কাজ করে। আপনি আপনার স্তনের এবং যোনি দেশ পরিষ্কার করার জন্যেও এই যষ্টিমধুর নির্যাস ব্যবহার করতে পারেন। আপনার শরীরের সহ্য ক্ষমতা অনুযায়ী আপনি এটাকে ঠাণ্ডা বা গরম ব্যবহার করতে পারেন। আপনি প্রাকৃতিক ভাবে এগুলি না পান, তাহলে আপনি একটি পাওডার কিনতে পারেন এবং তারপর এটিকে জলে যোগ করুন। নির্দিষ্ট অঞ্চলের উপর এটি প্রয়োগ করুন এবং আপনি দেখতে পাবেন এটি অন্যান্য প্রতিকারের চেয়ে দ্রুত কাজ করে।

  • পরিশেষে, এটা মনে রাখতে হবে যে আমাদের শরীর অনেক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং আমরা বেড়ে ওঠার সাথে আমাদেরকে বিভিন্ন অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে হবে। মাঝে মাঝে আমরা নিজেদের ভাল চেহারা তৈরীর কাজে সফল হয়, কিন্তু আমদেরকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে আমরা সবাই অদ্বিতীয়, অনন্য এবং চিরকাল সুন্দর।

পুরুষত্বে সমস্যায় প্রাকৃতিক আরোগ্যঃ বর্তমান যুগে বেশীর ভাগ পুরুষের (Male) মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে তা হচ্ছে যৌন সমস্যা৷ দিন ...

পুরুষত্বে সমস্যায় প্রাকৃতিক আরোগ্যঃ
বর্তমান যুগে বেশীর ভাগ পুরুষের (Male) মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে তা হচ্ছে যৌন সমস্যা৷ দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌণ ইচ্ছা ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে৷ কাজেই আপনার যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে আপনি সচেতন হয়ে যান৷ জেনে নিন কেন আপনার মধ্যে থেকে এই চাহিদা ক্রমঃ ক্ষয়মান (loss of sexual interest)৷

হোম রেমেডি (Home Remedy) পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি (Home remedy)৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবে মাত্র দেখা দিয়েছে তাদের ক্ষত্রে হোম রেমেডি(Home Remedy) কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিত্সা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি(Home Remedy) প্রযোজ্য নয়৷

এবার জেনে নেওয়া যাক যৌন অক্ষমতার (Sexual Impotence) প্রথম ধাপের চিকিত্সাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্র্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার (Benefits) হয়–

রসুন (Garlic):
যৌন অক্ষমতার (Sexual Impotence) ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ (Penicillin for poor) বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক (Antiseptic) এবং রোগ প্রতিরুধক (immune booster) হিসাবে কাজ করে আর এটি অতি সহজলভ্য(Available) সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে (As a food) গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার(Recall sexual desire) ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় (Disease or accident) আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত(Nymphomania) হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷

ব্যবহারের নিয়মঃ
প্রতিদিন দু থেকে তিনটি রসুনের (Garlic) কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির (Bread from wheat) সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উত্পাদনের মাত্রা বাড়ায়(Increase sperm) এবং সুস্থ স্পার্ম (Healthy sperm) তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

পেঁয়াজ (Onion):
কাম-উত্তেজক (Sexual excitement) ও কামনা বৃদ্ধিকারী (Sexual increasing) হিসাবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷

ব্যবহারের উপায়ঃ
সাদা পেঁয়াজ(White onion) পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর (Honey) সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক আপনার পেট খালি(Empty stomach) রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন অর্থাৎ স্পারমাটোরিয়া (spermatorrhea) সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

এছাড়া পেঁয়াজের রসের (Onion juice) সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এটির নিয়মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা(Sexual excitement) বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

গাজর (Carrot):
১৫০ গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল(অর্ধ সিদ্ধ) ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে৷

কলা (Banana):
আমরা প্রত্যেকেই জানি, যদি ডাক্তার থেকে দূরে থাকতে চান তাহলে প্রতিদিন একটি করে আপেল খান। কিন্তু যদি আপনি যৌন স্বাস্থ্যে এবং যৌন বন্ধ্যাত্ব থেকে দূরে থাকতে চান, তবে প্রতিদিন কলা খান। কারণ এই ফলে ব্রমেলেইন (Bromelain) নামে এনজাইম আছে, যা যৌন বন্ধ্যাত্ব দূর করবে এবং যৌন শক্তি বাড়াবে। কলা ভিটামিন বি এর একটি চমৎকার উৎস, যা দৈহিক শক্তি (Stamina) বাড়ায়।

তাই এখন আর দুশ্চিন্তা করবেন না৷ সমস্যার একেবারে প্রথম ধাপে(First stage) আপনি বাড়িতে এই পদ্ধতি গুলি (This way) মেনে চলে দেখুন। হয়তঃ প্রাথমিক ধাপে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে৷

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যেকোনো মানুষের জন্য উপকারী। অনেকে ভাবেন, স্বাস্থ্যকর খাবার বেশ দামি। তবে ফাস্টফুড বা জাঙ্ক ফুডের তুলনায় কিন্তু স্বা...

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যেকোনো মানুষের জন্য উপকারী। অনেকে ভাবেন, স্বাস্থ্যকর খাবার বেশ দামি। তবে ফাস্টফুড বা জাঙ্ক ফুডের তুলনায় কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাবারের দাম তেমন বেশি নয়।

আসলে নারী-পুরুষ উভয়েরই খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবার রাখা উচিত এবং খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। পুরুষদের খাবার-দাবারের ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।   


১. সকালের নাশতা বাসায় করুন

স্বাস্থ্যকর খাবার ছাড়া কিন্তু দিনটি ঠিকঠাকমতো শুরু হয় না। অনেকেই সকালের নাশতা হোটেলে করেন। তবে হোটেলের অতিরিক্ত ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার বুক জ্বালাপোড়া, এসিডিটির সমস্যা তৈরি করে। তাই হোটেলে না খেয়ে সকালের নাশতা ঘরে করার অভ্যাস করুন।

সকালের নাশতায় রাখতে পারেন ওটমিল, সেদ্ধ ডিম, কলা ইত্যাদি। এসব খাবার শরীরের জন্য উপকারী।

২. খাদ্যতালিকায় প্রোটিন রাখুন

খাদ্যতালিকায় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে খেতে পারেন মাংস, ডিম, সয়, পনির, দুধ ইত্যাদি।

৩. মদ্যপান এড়িয়ে চলুন

মদ্যপানে যেমন টাকার শ্রাদ্ধ হয়, তেমনি অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এসব পানীয় ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই এসব পানীয় এড়িয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।

গলাব্যথা বেশ প্রচলিত একটি সমস্যা। সাধারণত শিশু ও তরুণদের এই সমস্যা হয়। অ্যালার্জি, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, এসিড রিফ্ল্যাক্স, সংক্রমণ ইত...

গলাব্যথা বেশ প্রচলিত একটি সমস্যা। সাধারণত শিশু ও তরুণদের এই সমস্যা হয়। অ্যালার্জি, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, এসিড রিফ্ল্যাক্স, সংক্রমণ ইত্যাদি গলাব্যথার কারণ।
গলাব্যথা কমাতে লেবু ও মধু বেশ উপকারী। গলাব্যথা কমাতে লেবু ও মধুর ব্যবহার জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি। 

লেবু

গলাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি সমস্যা কমাতে লেবু উপকারী। লেবুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান।

•    একটি পাত্রে কয়েক টুকরো আদা ও কয়েক টুকরো খোসাসহ লেবু নিন।
•    এর মধ্যে পানি দিয়ে ১০ মিনিট সিদ্ধ করুন।
•    এই তরলটির মধ্যে মধু মিশিয়ে পান করুন।
•    দিনে কয়েকবার শিশুকে এই পানীয় পান করতে দিন।


মধু

এক বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে মধু ব্যবহার করবেন না। এক বছর বা তদূর্ধ্ব শিশুর ক্ষেত্রে মধু খাওয়াতে পারেন।
১. এক কাপ গরম পানিতে কাঁচা মধু মিশিয়ে শিশুকে পান করতে দিন।
২. এক কাপ হালকা গরম পানির মধ্যে এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। এই পানীয় শিশুকে পান করান।
৩. ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে শিশুকে খাওয়াতে পারেন।