বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধের ভুল এবং অসচেতন ব্যবহারের কারণে বিশ্বব্যাপী নিউমোনিয়া, যক্ষ্মার মতো রোগের চিকিৎসা প্রক্রিয়া ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া, অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স পূরণ না করা বা ছোটখাটো শারীরিক সমস্যার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যেও প্রবল।
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া, অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স পূরণ না করা বা ছোটখাটো শারীরিক সমস্যার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যেও প্রবল।
অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সবশেষ গবেষণায় উঠে আসে, অ্যান্টিবায়োটিকের ভুল এবং অসচেতন ব্যবহারের কারণে এ জাতীয় ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে আশঙ্কাজনক হারে।
২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ৬৫টি দেশের মানুষের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের তথ্য যাচাই করে তৈরি করা হয় এই প্রতিবেদন।
ঐ প্রতিবেদনে বলা হয় অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধের ভুল ব্যবহারের কারণে এই জাতীয় ওষুধের বিরুদ্ধে এক ধরণের প্রতিরোধ তৈরি হয় শরীরে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ধরণের রোগের ক্ষেত্রে ওষুধের কার্যকারিতা হারায়।
চট্টগ্রামের বাসিন্দা নাবিলা আলম মাঝেমধ্যেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খেয়ে থাকেন।
"সাধারণ কিছু রোগের জন্য যেসব ওষুধ দেয়া হয়, সেগুলো মাঝেমধ্যেই আমরা প্রেসক্রিপশন ছাড়াই খেয়ে থাকি। তা সাধারণ ওষুধ হোক বা অ্যান্টিবায়োটিক হোক।"
তার পরিচিত অনেকেই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ খেয়ে থাকেন বলে জানান মিজ আলম।
মিজ আলম স্বীকার করেন এভাবে ওষুধ গ্রহণ করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে একেবারেই সচেতন নন তিনি।
"ওষুধ খেলে সাময়িকভাবে অসুখ ঠিক হয়ে যায়, তাই এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে সাধারণত চিন্তাই করা হয় না।"
মিজ আলম মনে করেন এই ব্যাপারে সচেতনতার অভাব থাকার কারণেই সাধারণ মানুষ ওষুধ ভুলভাবে ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।
ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ক্রেতার কাছে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না - সরকারের পক্ষ থেকে ওষুধের দোকানগুলোকে এমন একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল গত বছর। কিন্তু সরেজমিনে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় ঐ নিয়মের বাস্তবায়ন একেবারেই নেই।
ঢাকার মহাখালী এলাকার একটি ফার্মেসি থেকে বহুল ব্যবহৃত একটি অ্যান্টিবায়োটিক কিনতে চাইলে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করেন দোকানদার।
সরকারের নির্দেশনা সম্পর্কে দোকনদারের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান নির্দেশনা সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন।
তারপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, যেই ওষুধটি কেনা হচ্ছে সেটি নাকি অ্যান্টিবায়োটিকই নয়!
বাধ্য হয়ে অ্যান্টিবায়োটিকের সুপারিশ?
২০১৪ সালে বাংলাদেশের রাজশাহীর কয়েকটি এলাকার মানুষের তথ্য নিয়ে করা একটি গবেষণায় উঠে আসে যে সেসব অঞ্চলের প্রায় ২৭ শতাংশ মানুষ সাধারণ অসুখের ক্ষেত্রে নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ খান।
অর্থাৎ ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেন না তারা।
আবার ডাক্তাররাও অনেকসময় দরকার না থাকলেও রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ খাওয়ার সুপারিশ করে থাকেন - এমন অভিযোগও পাওয়া যায় প্রায়ই।
চাঁদপুরের একটি হাসপাতালে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত নাজমা আহমেদ বলেন ডাক্তাররা অনেকসময় বাধ্য হয়েই রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ সুপারিশ করে থাকেন।
অনিদ্রার সাথে অকালমৃত্যুর সম্পর্ক কতটুকু?
যদি আপনি অনিদ্রা রোগে ভুগে থাকেন তাহলে সুসংবাদটা আপনার জন্যে। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, ঘুম না হওয়ার সাথে মানুষের দ্রুত মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক নেই।
নতুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জার্নাল সায়েন্স স্পষ্টভাবে বলেছে, ইনসমনিয়া বা ঘুম না হওয়া জনিত রোগের সাথে দ্রুত মৃত্যুবরণের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘুমের আশায় ভোর ৪টা অব্দি যিনি বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেন, গড়াগড়ি খান - তার জন্যে জার্নাল সায়েন্সের এই তথ্য হয়তো কিছুটা প্রশমন বা স্বস্তি বয়ে আনলেও আনতে পারে।
কারণ, ঘুমহীনতার সাথে দ্রুত মৃত্যুর সম্পর্ক না থাকা বিষয়ক সিদ্ধান্তে পৌঁছুবার আগে গবেষকেরা কয়েক কোটি মানুষের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন।
মোট ১৭টি গবেষণায় প্রায় ৩৭ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এনএইচএস থেকে এর আগে যা বলা হতো - নতুন এই প্রতিবেদনের বক্তব্য তার পুরোপুরি বিপরীত।
এনএইচএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইনসমনিয়ার কারণে মানুষের ওবেসিটি বা স্থূলতা, হৃদরোগ ও টাইপ-টু ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি মানুষের আয়ু্ও কমে যায়।
কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে ইনসমনিয়ায় ভুগছেন এমন মানুষেরা মূলত তাদের আয়ু নিয়ে চিন্তিত নন, বরং ঘুম না হওয়া ক্লান্ত দেহে কী করে দিনটা শেষ করবেন সেটি নিয়েই তারা বেশি চিন্তিত।
নিজের ইনসমনিয়া নিয়ে সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষক নাভিদ খান বলছেন, তিনি রাতে চার ঘন্টার বেশি ঘুমাতে পারেন না। অবসাদগ্রস্ত দেহে দিনটা ভালোয় ভালোয় পার করতে পারবেন কিনা সেটি নিয়েই তার যত ভাবনা।
নতুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জার্নাল সায়েন্স স্পষ্টভাবে বলেছে, ইনসমনিয়া বা ঘুম না হওয়া জনিত রোগের সাথে দ্রুত মৃত্যুবরণের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘুমের আশায় ভোর ৪টা অব্দি যিনি বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেন, গড়াগড়ি খান - তার জন্যে জার্নাল সায়েন্সের এই তথ্য হয়তো কিছুটা প্রশমন বা স্বস্তি বয়ে আনলেও আনতে পারে।
কারণ, ঘুমহীনতার সাথে দ্রুত মৃত্যুর সম্পর্ক না থাকা বিষয়ক সিদ্ধান্তে পৌঁছুবার আগে গবেষকেরা কয়েক কোটি মানুষের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন।
মোট ১৭টি গবেষণায় প্রায় ৩৭ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এনএইচএস থেকে এর আগে যা বলা হতো - নতুন এই প্রতিবেদনের বক্তব্য তার পুরোপুরি বিপরীত।
এনএইচএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইনসমনিয়ার কারণে মানুষের ওবেসিটি বা স্থূলতা, হৃদরোগ ও টাইপ-টু ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি মানুষের আয়ু্ও কমে যায়।
কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে ইনসমনিয়ায় ভুগছেন এমন মানুষেরা মূলত তাদের আয়ু নিয়ে চিন্তিত নন, বরং ঘুম না হওয়া ক্লান্ত দেহে কী করে দিনটা শেষ করবেন সেটি নিয়েই তারা বেশি চিন্তিত।
নিজের ইনসমনিয়া নিয়ে সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষক নাভিদ খান বলছেন, তিনি রাতে চার ঘন্টার বেশি ঘুমাতে পারেন না। অবসাদগ্রস্ত দেহে দিনটা ভালোয় ভালোয় পার করতে পারবেন কিনা সেটি নিয়েই তার যত ভাবনা।
দেশে স্কাইপ বন্ধ
ইন্টারন্টেভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যম স্কাইপি বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) স্কাইপি বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এখনো স্বীকার করেনি।তবে সোমবার বিটিআরসি’র একটি সূত্র ইন্টারনেটভিত্তিক জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যমটি বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণেও এমনটি হতে পারে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিটিআরসির ওই নির্দেশনা পাওয়ায় তারা স্কাইপি বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে স্কাইপির সব সেবা বন্ধ রয়েছে।
উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের মিশন শুরু কাল
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ শুরু হচ্ছে আগামীকাল চট্টগ্রামে। সকাল সাড়ে ৯টায় সিরিজের প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হচ্ছে দল দুটি।টেস্টর আগে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বিসিবি একাদশ ও উইন্ডিজ। ম্যাচটি ড্র হয়।
কালকের ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবেন ইনজুরি থেকে ফেরা সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড : সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ মিঠুন, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও নাঈম হাসান।
চায়ে চায়ে স্বাদ বদল
এক কাপ চা। আহ্! সব ক্লান্তি শেষ। চায়ের চুমুকে দিনটাও শুরু হয় সতেজ আমেজ নিয়ে। যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা চায়ের স্বাদ নিয়ে বেশ পরীক্ষা–নিরীক্ষাও হচ্ছে। এমনই কিছু ভিন্ন স্বাদের চা বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন আপনিও। রেসিপি দিয়েছেন আফরোজা নাজনীন।মধু লেবু আদা চা
উপকরণ: পানি ১ কাপ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, মধু ১ চা-চামচ, গ্রিন টি ব্যাগ ১টি, আদা খোসাসহ ছোট টুকরা ১টি।
প্রণালি: গরম পানিতে আদা দিয়ে একটু ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। এতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে গ্রিন টি ব্যাগ দিয়ে গরম–গরম পরিবেশন করুন।
ছবি পাঠিয়ে ক্যালেন্ডার গার্লস হওয়ার সুযোগ
এই প্রজন্মের সম্ভাবনাময়ী তরুণীরা সর্বদা নিজেদের প্রমাণ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। তাদের সুপ্ত প্রতিভাগুলো বিকশিত করার লক্ষ্যেই এসিআই স্যান্ডাল সোপ ‘ক্যালেন্ডার গার্লস ২০১৯’ নামে দেশব্যাপী একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।আগ্রহী প্রতিযোগীরা প্রাথমিকভাবে তাদের সেরা ছবিগুলো এসিআই স্যান্ডাল সোপের ফেসবুক পেজ এবং ইনস্টাগ্রাম পেজে জমা দিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন গ্রুমিং সেশনের মাধ্যমে ৬ জন বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এরা এসিআই স্যান্ডাল সোপের এক্সক্লুসিভ ক্যালেন্ডারে নিজেদের মডেল হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন।
অংশগ্রহণের শেষ তারিখ ১৮ নভেম্বর, বয়সসীমা ১৮-২৬ বছর। বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজে facebook.com/acisandalsoap/এবং ইনস্টাগ্রাম instagram.com/acisandalsoap/পেজে ভিজিট করুন।
আমি ফেসবুকে নেই: মোশাররফ করিম
বাংলাভিশনে আজ থেকে প্রতি মঙ্গল ও বুধবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে ধারাবাহিক নাটক ‘চাটাম ঘর’। এটি লিখেছেন মুহাম্মদ মামুন-অর-রশীদ, পরিচালনা করেছেন শামীম জামান। এতে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। নাটকটি নিয়ে মোশাররফের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন তিনি ছিলেন সহোদর শামস করিম পরিচালিত একটি নাটকের শুটিংয়ে পুবাইলে।পুবাইলে কোন নাটকের শুটিং করছেন?
হোসেন ভাইয়ের দোকানে আসা মানুষ নামে আরটিভির জন্য একটি ধারাবাহিকের শুটিং করছি। এটি পরিচালনা করছে আমার আপন ছোট ভাই শামস করিম। নাটকটির দ্বিতীয় ধাপের কাজ চলছে। আমার নিজ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এম প্রোডাকশন থেকে তৈরি হচ্ছে এটি।
নিজের ভাইয়ের পরিচালনায় কাজ করতে কেমন লাগে?
অনেক দিন ধরেই ওর সঙ্গে কাজ করছি। এর আগে ওর বেশ কয়েকটি এক ঘণ্টার নাটকে অভিনয় করেছি। ওর পরিচালনায় এবারই প্রথম ধারাবাহিকে কাজ করছি।
আপনার ভাই পরিচালক হওয়ায় তিনি কি আপনার কাছ থেকে শুটিংয়ে বিশেষ সুযোগ–সুবিধা পান?
না। সব পরিচালকই আমার কাছে সমান। আমার বোনের ছেলেও পরিচালনা করে। আমি তাদের আলাদা অগ্রাধিকার দিই না। দিলে তো আমাকে নিয়ে তারা ভূরি ভূরি কাজ করতে পারত। তাদের কাজ ভালো হলে করি।
‘চাটাম ঘর’-এর মানে কী?
এটি একটি আড্ডার ঘর। নদীর ধারে। সেখানে কাজের চেয়ে অকাজের কথা বেশি হয়। ঝগড়া, বিচার, সালিস—সবই হয় সেখানে। কাজ ফেলে একশ্রেণির মানুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই চাটাম ঘরে আড্ডা দেয়। ওই ঘরের আড্ডায় নেশার মতো আসক্ত হয়ে পড়ে গ্রামের মানুষেরা। মোট কথা ‘অতিকথন জীবনের জন্য শুভ নয়’—চিরন্তন এই কথাটার বার্তাই পাওয়া যাবে চাটাম ঘর নাটক থেকে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


Follow Us
Were this world an endless plain, and by sailing eastward we could for ever reach new distances